গুজব সৃষ্টিকারীদের সহ্য করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক

Published: 2018-08-12 19:26:56 BdST | Updated: 2018-09-19 17:35:59 BdST

ফাইল ফটো

গুজবে কান না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। অশ্লীল কথা, মিথ্যা কথা আর গুজব ছড়ানোর জন্য নয়। আর যাই হোক, প্রযুক্তি ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো কখনও সহ্য করা যায় না। কাজেই সবাইকে বলবো কেউ গুজবে কান দেবেন না। এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। আর তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব সৃষ্টিকারীদের সহ্য করা হবে না।

রোববার রাজধানীর কুর্মিটোলায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজ (এসআরসিসি) প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। কলেজ সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে পথচারী আন্ডারপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভেন্যুতে পৌঁছানোর পর সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রুপ ছবিও তোলেন।

গত ২৯ জুলাই জাবাল-ই-নূর পরিবহনের একটি বাস একই কোম্পানির আরেকটি বাসের সঙ্গে যাত্রী উঠা-নামা নিয়ে প্রতিযোগিতাকালে ধাক্কায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মীম এবং আবদুল করিম রাজীব ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে এলে সারা দেশে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অচলবস্থা সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী নিহত দুই শিক্ষার্থীর প্রতি পরিবারকে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেন। এছাড়াও ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য পাঁচটি বাসও হস্তান্তর করেন।

রমিজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুইজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই চালক সম্পূর্ণ নিয়ম ভেঙে বাস চালাচ্ছিল, যার কারণে দুটো প্রাণ ঝরে গেল। এই দুর্ঘটনাটা কোনও দিনই ক্ষমা করা যায় না। এটা ক্ষমার অযোগ্য। এদের আমরা ক্ষমা করবো না। এই ধরনের দুর্ঘটনায় যারা জড়িত তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষার্থীরা যখন রাস্তায় নেবে এলো, তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করলাম। আমরা ধৈর্য সহকারে পরিস্থিতি মোকাবিলা করলাম। অপমানিত হয়েও সকলে আমার কথায় ধৈর্য ধরেছে। কিন্তু তৃতীয় দিনের পরে দেখা গেল প্রচুর শিক্ষার্থী। অবাক লাগলো তাদের অনেকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে শার্ট পরিবর্তন করে স্কুল ড্রেস পরে ছাত্র হয়ে যাচ্ছে। ব্যাগের ভেতর থেকে তারা চাইনিল কুড়াল, পাথর নানা ধরনের জিনিসপত্র বের করছে। প্রশ্ন হলো এরা তাহলে কারা? তারা তো স্কুল ছাত্র হতে পারে না। তখনই আমি চিন্তিত হয়ে পড়লাম। পরে ওইদিন সকালে আমি অন্য একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও কনফারেন্সের সময় ছাত্রছাত্রীদের ঘরে ফিরে যেতে আহ্বান জানালাম। শিক্ষক-অভিভাবককে আহ্বান জানালাম। কারণ, এরমধ্যে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে পড়েছে। তারা ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারে। তখন তারা আমার ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরে ফিরে যায়। এজন্য আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষার্থীদের কোন ক্ষতি হোক, সেটা আমি চাইনি। আমি জানি, অনেকে অস্থির হয়ে যাচ্ছিল। তারপরও আমরা এটা চেয়েছি। শিক্ষার্থীরা দুইটা দিন রাস্তায় ছিল। আমি সবসময় চিন্তিত ছিলাম কোনো দুর্ঘটনা যেন না ঘটে!

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ অফিসে আক্রমণ হলো। সেখান থেকে আমার নেতাকর্মীরা ফোন করে জানালেন তারা টিকতে পারছেন না। আমি বললাম ধৈর্য ধরো। পরে দেখলাম এরা তো ছাত্র না। ছাত্র নামধারী কিছু লোক। দর্জির দোকানে খবর নিয়ে জানা গেল সেখানে প্রচুর পরিমাণে স্কুল ড্রেস তৈরি হচ্ছে আর ফেক আইডি কার্ড তৈরি হচ্ছে।

সরকার প্রধান বলেন, ছাত্র নামধারী যারা ঢুকলো তারা অনুপ্রবেশকারী। তাদের উদ্দেশ্যটা খারাপ ছিল। কোনও কোনও মহল ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়াতে গুজব ছড়াতে শুরু করলো। আওয়ামী লীগ অফিসে মেরে লাশই রেখে দেওয়ার গুজব ছড়ানো হলো। এই গুজবটা কারা ছড়ালো?

বাঙালিরা হুজুগে মাতেন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ তো আমি করে দিয়েছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি সুশিক্ষার জন্য, আধুনিক শিক্ষার জন্য। অশ্লীল কথা, মিথ্যা কথা আর গুজব ছড়ানোর জন্য নয়। সবার হাতে এখন মোবাইল ফোন। আধুনিক প্রযুক্তির ফোর জি এসে গেছে। একটা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সবই করা যায়। এই সুযোগটা আমরা করে দিয়েছি। কিন্তু এই প্রযুক্তির ব্যবহার করে মিথ্যা কথা বলে-গুজব ছড়িয়ে একটি অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমনকি অনেক বয়স্ক লোকও করছে। এমনও অনেক লোক আছে যাদের ভালো কাজের জন্য আমি পুরস্কার দিয়েছি। অথচ তারাও গুজব ছড়াতে শুরু করলো। আর যাই হোক, এগুলো তো কখনও সহ্য করা যায় না। কাজেই কেউ দয়া করে গুজবে কান দেবেন না। এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। চিলে কান নিয়েছে শুনে চিলের পেছনে ছুটবেন এটা যেন না হয়। কানে হাতটা দিয়ে দেখুন সেটা আছে কিনা।

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমরা রাজনীতির একমাত্র লক্ষ্য মানুষের সুন্দর জীবনদান করা এবং উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা। দেশকে গড়ে তুলতে ও এগিয়ে নিতে আমরা সেই চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।

পথচারী ও গাড়িচালকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ফুটওভার ব্রিজ রেখে রাস্তার ওপর দিয়ে বেআইনিভাবে রাস্তা পার হওয়া, এটা তো গ্রহণযোগ্য নয়। সবাইকে ট্রফিক রুল মেনে চলতে হবে। নির্ধারিত জায়গা ছাড়া অন্য কোথাও থেকে রাস্তা পার হওয়া মোটেও ঠিক নয়। চালকদের বলবো, স্টপেজের বাইরে কোথাও যত্রতত্র গাড়ি থামানো যাবে না। এটা হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের ফাইন করতে হবে। লাইসেন্স ক্যানসেল করতে হবে।

ওভারট্রাকিংসহ অন্য কোনও অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে তিনি গাড়ি চালকদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। সরকার প্রধান বলেন, প্রত্যেক আন্ডারপাসের ভেতরে গোপনে ক্যামেরা বসাতে হবে। পর্যাপ্ত লাইটের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আমলাদের বলবো, কোনও সমস্যা থাকলে আমাকে সরাসরি বলবেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করে দেবো।

রমিজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাস উপহার দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে সরকার প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্যান্য স্কুলের বাস দরকার হলে তা সমাধান করে দেবো। স্কুল ছুটির সময় ও শুরুর সময় একজন ট্রাফিক নিয়োজিত থাকবে। প্লাকার্ড নিয়ে থাকবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রাস্তা পার হওয়ার ব্যবস্থা করবেন। আর যেখানে ফুটওভার ব্রিজ দরকার, আন্ডারপাস দরকার বা জেব্রা ক্রসিং দরকার করে দেওয়া হবে।

আন্ডারপাসের নকশার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ডিজাইনটা আগেই করা ছিল? কিন্তু এখানে একটা সমস্যা ছিল। এই সমস্যাটা এত ক্ষুদ্র সমস্যা ছিল, সেটা আমি জানতাম না। এই জায়গা কার, বাংলাদেশে এই একটা সমস্যা। রাস্তা কার, জায়গা কার, লেক থাকলে পানি কার, পার্ক কার, লেকের ভিতরে মাটি কার? এ নিয়ে মাঝে মাঝে একটা বিতর্ক হয়। আশা করি, এই বিতর্কগুলো আর হওয়া উচিত না। এর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে।

সরকারপ্রধান হিসেবে সমস্যাটি অবহিত হওয়ার পর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে বিষয়টির সমাধান হয়ে গেল উল্লেখ করে তিনি বলেন, অথচ দীর্ঘদিন ধরে এই প্ল্যানটা তৈরি করে বসে আছে? তাই সবার প্রতি অনুরোধ করব। আপনারা যদি কোন সমস্যা সমাধান করতে না পারেন, আমি তো ২৪ ঘণ্টায়ই আছি। ২৪ ঘণ্টা না, হয়ত ৫/৬ ঘণ্টা আমার নিজের থাকে। বাকি সময় আমাকে পাবেন। যখনই চান, আমার মোবাইল ফোন আছে, ফোন দিলেও পাবেন। আপনারা যদি একটু খবর দেন বা বলেন যে, এই সমস্যা। তাহলে একটা সমস্যার সমাধান করে দিতে পারি। কিন্তু এই কাজগুলোর যেন কালক্ষেপণ না হয়। আজকে যদি এই কালক্ষেপণটা না হতো, তহালে হয়ত এই দুর্ঘটনাটা হতো না। এইভাবে দুইটা জীবন যেত না।

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যেন নিরাপদে রাস্তা পারাপার হতে পারে সেজন্য শিক্ষক ও ট্রাফিকদের বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে বলেন, যে বাবা-মা সন্তান হারিয়েছেন, তার ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায় না। কারণ আমি তো সব হারিয়েছি, আমি জানি হারাবার বেদনা কি? তবু আমি চেষ্টা করেছি। যারা এখনো আহত তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।

ছাত্র-ছাত্রীদের ট্রাফিক রুলস মেনে চলে মন দিয়ে লেখাপড়া শেখার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, কারণ তোমরা ছোটমণিরা, তোমরাই তো আমাদের ভবিষ্যত। আজকে দিনরাত পরিশ্রম করি কাদের জন্য? তোমাদের জন্য। তোমাদের ভবিষ্যত যেন সুন্দর হয়, আমরা যে কষ্ট পেয়েছি এই কষ্ট যেন তোমরা না পাও। তোমাদের জীবনটা সুন্দর হবে। উন্নত হবে। তোমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে সেটাই আমরা আশা করি। আর আগামী দিনে এই দেশের নেতৃত্ব তোমরাই দেবে। তোমাদের মাঝ থেকেই তো আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী হবে, মন্ত্রী হবে, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হবে, সেনাপ্রধান হবে, সেনা অফিসার হবে, বিমান বাহিনী প্রধান হবে, নৌ বাহিনীর প্রধান হবে, অনেকে অনেক কিছু হবে। আমরা সেটাই আশা করি? যতটুকু আমার ছিল করে যাচ্ছি, এরপরে তোমরা এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কারণ এই দেশকে আমরা তৈরি করতে চাই। আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যেটা চেয়েছিলেন। ক্ষুধা মুক্ত দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলাদেশ। সেই সোনার বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, তোমরাই হবে। সেটাই আমি দোয়া করি। আমার দোয়া আর্শীবাদ সবসময় তোমাদের সাথে থাকবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বর্বর ও কাপুরোষিতভাবে জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের পর দুঃশাসনের বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পরে যখন সরকারে আসি, সরকারে এসে চেষ্টা করেছি এদেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করার। তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা এবং তাদেরকে সুন্দরভাবে বাঁচার একটি ব্যবস্থা করে দেওয়া। কারণ আমার জীবনে রাজনৈতিক লক্ষ্য একটাই, এদেশের মানুষকে একটা সুন্দর জীবন দান করা।

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে যেন তাল মিলিয়ে চলতে পারি, সেই কাজগুলো করা। সেই দিকে লক্ষ্য রেখে সবসময় চেষ্টা করেছি। আমরা সবসময় চাই, দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। সুশিক্ষায় শিক্ষিত জাতি ছাড়া কোনোদিন কোনো জাতি উন্নত করতে পারে না। কোনো দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে না।

২০২১ সালে আমরা আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করব। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। তখন তো আর বেঁচে থাকব না। বুড়ো হয়ে গেছি। ২০৪১ সাল পর্যন্ত সেটা তো দেখতে পারব না? কিন্তু সেই বাংলাদেশ হবে তোমাদের বাংলাদেশ। তোমরা সেইভাবে নিজেকে গড়ে তোল। যেন ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারি। আজকে আমাদের ছোট শিশুরা আমাদের যে চোখ খুলে দিয়েছে, আমি আশা করি, প্রত্যেকেই স্ব স্ব স্থানে যার যার নিজ দায়িত্ব কর্তব্য পালন করবেন। পথচারীরা নিশ্চয়ই রাস্তার নিয়ম কানুন মেনে পথ চলাচল করবেন। চালক-হেলপারও যেন সকল নিয়ম কানুন মেনে গাড়ি চালাবেন সেটাই আমরা আশা করি।

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা নেক্সট ইলেকশনের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি নেক্সট জেনারেশনের প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আমরা ৩৪টি ফুটওভার ব্রিজ তৈরি করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়ে এরমধ্যে ৪টিও ব্যবহারও হয় না। পাশেই ফুটওভার ব্রিজ থাকতে পথচারীরা সেটা ব্যবহার না করে রাস্তা দিয়ে পার হন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চীফ মেজর জেনারেল মো. সিদ্দিকুর রহমান সরকার। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, তিনবাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই আন্ডারপাস নির্মাণে বিদ্যমান সড়কে যান চলাচলে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না। এই আন্ডারপাস থেকে পথচারীর পাশাপাশি সাইকেল আরোহীরা ও হুইল চেয়ারে করে অসুস্থ বা প্রতিবন্ধীরা রাস্তা পার হতে পারবেন। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সেনাবাহিনী এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত


ঢাকা সফররত ভারতীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক সাম...

জাতীয় | 2017-10-04 13:19:05

‘নীল সিয়া আসমান, লালে লাল দুনিয়া/ আম্মাগো লাল তেরি খুন কিয়া খুনিয়া/কাঁ...

জাতীয় | 2017-10-01 09:27:40

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াশিংটন থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। প...

জাতীয় | 2017-10-03 10:16:56

শরীয়তপু‌র জেলার জা‌জিরা প‌য়ে‌ন্টে পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রথম স্প্যান বস...

জাতীয় | 2017-09-30 12:20:23

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে ভারতীয় জেলেরা ইলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে...

জাতীয় | 2017-10-01 12:25:54

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে আলোচিত এক গেমের নাম ‘ব্লু হোয়েল’। এই গেম অংশগ্রহনকা...

জাতীয় | 2017-10-10 12:12:04

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর ৩৭ ও ৩৮ নম্...

জাতীয় | 2017-09-30 13:15:21

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এক মাসের ছুটিতে আছেন। আর এই সময়ে...

জাতীয় | 2017-10-03 11:32:20